iDEA

islamic dawah and education academy

Month: November 2015 (Page 1 of 4)

আলেমদের দৃষ্টিতে তাবলীগ জামাত – Android App

আলেমদের দৃষ্টিতে তাবলীগ জামাত
সংকলকঃ আহ্‌নাফ বিন আলী আহ্‌মাদ।

লিঙ্কঃ ডাউনলোড লিঙ্ক

এই এ্যাপলিকেশন এ তাবলীগ জামাত সম্পর্কে বিশ্ব বরেণ্য আলেমদের মতামত তুলে ধরা হয়েছে। অনেক মুসলমান ভাই অনেক সময় ভুল বশত: তাবলীগ জামাতের বিরোধীতা করেন। মূলত তাদের ভুল ধারনা সংশোধন ও বিশ্বের বড় বড় আলেমগণ তাবলীগ জামাতকে কোন দৃষ্টিতে দেখেন সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা সংযোজন করা হয়েছে।

ইমামগণের মতভিন্নতার বড় কারণ কি হাদীস না জানা কিংবা না মানা?

মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব হাফিযাহুল্লাহ এর ”উম্মতের ঐক্য পথ ও পন্থা ” থেকে সংগ্রহিত।

অনেকে মনে করেন, অধিকাংশ বিষয়ে মতভিন্নতার মৌলিক কারণ হল, সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রতিপক্ষের হাদীস সম্পর্কে অবহিত না থাকা বা সহীহ হাদীস পরিত্যাগ করে যুক্তি বা কিয়াসের আশ্রয় গ্রহণ করা। অথচ আইম্মায়ে দ্বীন ও উলামায়ে হকের যে মতভিন্নতা সে সম্পর্কে এ ধারণা মোটেও সঠিক নয়। কেননা তাদের কেউ কিয়াস বা যুক্তিকে হাদীসের উপর প্রাধান্য দেন না। তাদের কোনো কোনো ফতওয়া যদিও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের হাদীসের ব্যাপারে অবগতি না থাকার কারণে প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু এর সংখ্যা নিতান্তই কম।

আহলে হক উলামায়ে কেরামের মধ্যে বিদ্যমান মতভিন্নতার অধিকাংশের মূলেই ইখতিলাফে মাহমুদ বা ইখতিলাফে মাশরূ-এর শরীয়ত স্বীকৃত বাস্তবিক কারণ বিদ্যমান রয়েছে। এজন্য হাদীসের ইমামগণের মধ্যেও বহু বিষয়ে ইখতিলাফ হয়েছে। ইমাম আহমদ, ইমাম আলী ইবনুল মাদীনী, ইসহাক ইবনে রাহুয়াহ, ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিম, ইমাম তিরমিযী, ইবনে খুযাইমা, ইবনে হিববান, দাউদ জাহেরী, ইবনে হাযম জাহেরী তাদের ব্যাপারে হাদীসের বিরোধিতা বা হাদীসের ব্যাপারে অনবগতির অভিযোগ কি কেউ করতে পারে?

Read More

প্রায় সকল সাহাবী মুকাল্লিদ ছিলেন

শিরোনাম দেখেই হয়তো গায়রে মুকাল্লিদ ভাইদের মন খারাপ হয়ে গিয়েছে। আমার কি দোষ বলে্ন ভাই? সত্যি কথাতো বলতেই হবে। আজকে আমি এ ব্যাপারে এমন দুজন ব্যাক্তির কথাকে পেশ করবো যারা গায়রে মুকাল্লিদ ভাইদের কাছেও গ্রহনযোগ্য আলেম এবং তারাও এ দুজন ব্যাক্তিকে সালাফ মনে করেন।

এ দুই জন বিখ্যাত আলেম হলেন –

  • (১) আলী ইবনুল মাদিনী রহঃ , (ইমাম বুখারী রাহঃ এর বিশিষ্ট উস্তাদ) ।
  • (২) ইবনুল কাইউম জাওজী রহঃ , (ইবনে তাইমিয়া রাহঃ এর বিশিষ্ট ছাত্র) ।

 

এবার তাদের কথাগুলো বলি-

Read More

সালাফী আলেমদের আকিদাগত ভ্রান্তি ও মতবিরোধ (পর্ব-১০)

আল্লাহ তায়ালা দৌড়ান:

পূর্বের আলোচনায় আমরা উল্লেখ করেছি যে, সালাফীদের আকিদা হলো আল্লাহ তায়ালা আরশে বসে আছেন। এরা আল্লাহর জন্য উঠা, নামা, দৌড়ানো, স্থানান্তর হওয়া সব কিছুই সাব্যস্ত করে। এ পর্বে আল্লাহর দৌড়ানো সম্পর্কে আলোচনা করবো।

হাদীসে রয়েছে, আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আমার নিকট যে হেটে হাসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যায়। ” এই হাদীস থেকে তারা প্রমাণ দিয়েছে যে আল্লাহ পাক দৌড়ান। অথচ সহীহ আকিদার একজন শিশুও বুঝবে যে, এখানে দৌড়ানো দ্বারা আল্লাহ তায়ালা তাকে সাহায্য ও কবুল করা উদ্দেশ্য। যাই হোক, কতো বড় আশ্চর্যের বিষয়, এজাতীয় ভ্রান্ত বিশ্বাস রাখার পরেও এরা সহীহ আকিদার দাবী করে?

Read More

সালাফী আলেমদের আকিদাগত ভ্রান্তি ও মতবিরোধ (পর্ব-৯)

আল্লাহর বাম হাত:

সালাফীদের নিকট আল্লাহর হাত রয়েছে। আল্লাহর হাতের সংখ্যা দু’টি। একটি ডান হাত, আরেকটি বাম হাত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহর হাতের কথা রয়েছে, এজন্য তারা হাত সাব্যস্ত করে। আমি এক সালাফীকে প্রশ্ন করেছিলাম, পবিত্র কুরআনে আল্লাহর হাতের কথা আছে। আপনি এটি হাত বলেই নিবেন। কোন ব্যাখ্যা করবেন না। আল্লাহর হাতের সংখ্যা কয়টি? সে বলে দু’টি। আমি বললাম, কুরআনে তো তিন থেকে অসংখ্য হাতের কথা রয়েছে। সূরা যারিয়াত  (৪৭ নং আয়াত) ও সূরা ইয়াসিনে (৭১ নং আয়াত) আল্লাহর অসংখ্য হাতের কথা আছে। আপনি কেন শুধু দু’টি হাতে বিশ্বাস করেন? মানুষের দু’টি হাত সেই জন্য?

সেই সালাফী ভাই কোন উত্তর দেননি। এবার আসুন, আমরা সালাফীদের দু’টি হাতের বিতর্ক সম্পর্কে জানি। সালাফীদের একদল আলেমের বক্তব্য হলো, আল্লাহর দু’টি হাতের একটি হলো ডান হাত, আরেকটি হলো বাম হাত। আমরা উভয় পক্ষের বক্তব্য উল্লেখ করছি।

Read More

সালাফী আলেমদের আকিদাগত ভ্রান্তি ও মতবিরোধ (৮)

আরশ কি খালি হয়ে যায়?

তথাকথিত সালাফীরা আজব আজব আকিদা রাখে। এসব আকিদা কীভাবে তারা ইসলামী আকিদা হিসেবে প্রচার করে আল্লাহ পাকই ভালো জানেন।  এদের আকিদা হলো, আল্লাহ তায়ালা স্বশরীরে প্রথম আসমানে নেমে আসেন। আল্লাহ তায়ালা যদি প্রথম আসমানে নেমে আসেন, তাহলে কি আরশ তখন খালি থাকে? আরশ খালি থাকে কি না, এটা নিয়ে তাদের মাঝে ব্যাপক মতবিরোধ রয়েছে।

আসলে আরশ খালি থাকার প্রশ্ন তখনই দেখা দেয়, যখন কেউ বিশ্বাস করে যে, আল্রাহ তায়ালা আরশের মতো দৈঘ্য-প্রস্থের। তিনি আরশকে পরিপুর্ণ বেষ্টন করে আছেন। তিনি যখন নেমে আসেন, তখন আরশ আল্লাহ তায়ালা থেকে খালি হয়ে যায়। এরা শুধু আরশ খালি হওয়ার আকিদা নিয়ে কথা বলে না, আল্লাহ তায়ালা উঠেন, বসেন, দৌড়ান, নামেন ইত্যাদি আকিদাও রাখে।

Read More

সালাফী আলেমদের আকিদাগত ভ্রান্তি ও মতবিরোধ (৭)

আল্লাহর আকার:

আল্লাহর আকার প্রমাণের ধারনাটি মূলত: ইহুদী ধর্ম থেকে এসেছে। ইহুদীরা আল্লাহ তায়ালাকে মানুষের আকৃতিতে বিশ্বাস করে। মানুষের প্রায় সব গুণাগুণ আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত করে থাকে। দেহবাদী আকিদার ক্ষেত্রে ইহুদীদের এসব জঘন্য আকিদা কাররামিয়া ও শিয়াদের মাধ্যমে ইসলামী আকিদায় প্রবেশ করে। পরবর্তীতে কাররামিয়াদের অনুসারী তথাকথিত সালাফীরাও এসব বাতিল আকিদা লালন করে এবং সমাজে দেহবাদী আকিদা প্রচার করতে থাকে।

আল্লাহর আকার সম্পর্কে ইহুদী আকিদা:

ওল্ড টেস্টামেন্টের বুক অব জেনেসিসে রয়েছে, 

And God said, Let us make man in our image, after our likeness: and let them have dominion over the fish of the sea, and over the fowl of the air, and over the cattle, and over all the earth, and over every creeping thing that creepeth upon the earth.

“প্রভূ বললেন, আমি আমার আকৃতিতে, আমার সাদৃশ্যে মানুষ সৃষ্টি করবো, যারা মাছ, সমুদ্র…..জয় করবে”

[বুক অব জেনেসিস, পরিচ্ছেদ-১, শ্লোক-২৬]

Read More

সালাফী আলেমদের আকিদাগত ভ্রান্তি ও মতবিরোধ (৬)

আল্লাহর সীমা:

“ইবনে বাজের মতে আল্লাহর সীমা রয়েছে। তবে আল্লাহর সীমা তিনি ছাড়া আর কেউ জানেন না।”

আমরা কুরআন ও হাদীসের কোথাও এধরনের কোথা পাইনি। আল্লাহ পাক ভালো জানেন, ইবনে বাজ এধরনের কথা কোথায় পেলেন। সীমা থাকা সম্পূর্ণ সৃষ্টির বৈশিষ্ট্য। এটি আল্লাহর জন্য  সাব্যস্তের ব্যাপারে কেন এতো মরিয়া, আল্লাহ পাকই ভালো জানেন। ত্বহাবী শরীফে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, আল্লাহ তায়ালা সীমা-পরিসীমা থেকে পবিত্র।  এই স্পষ্ট বক্তব্যের বিকৃত ব্যাখ্যা করে তিনি লিখেছেন,

ইবনে বাজ তার মাজমুউ ফাতাওয়া তে বলেছেন,

” আল্লাহর সীমা রয়েছে, তবে  সেটা তিনিই জানেন, বান্দা  জানেন না”

[মাজমুউ ফাতাওয়া, খ.২, পৃ.৭৮]

Read More

সালাফী আলেমদের আকিদাগত ভ্রান্তি ও মতবিরোধ (৫)

আল্লাহ তায়ালার ছায়া:

ইবনে বাজের বক্তব্য:

সালাফীদের বিখ্যাত শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে বাজের মতে আল্লাহ তায়ালার ছায়া রয়েছে। তিনি তার কিতাবে স্পষ্ট বলেছেন, আল্লাহ তায়ালার ছায়া রয়েছে। আর কিয়ামতের দিন আল্লাহর এই ছায়ার নীচে সাত শ্রেণির মানুষকে আশ্রয় দিবেন।

ইবনে বাজ তার মাজমুউ ফাতাওয়া ও মাকালাতে লিখেছেন,

প্রশ্ন: হাদীসে রয়েছে, যে দিন কোন ছায়া থাকবে না, সেদিন আল্লাহ তায়ালা সাত শ্রেণির মানুষকে তার নিজ ছায়ার তলে স্থান দিবেন। আল্লাহ তায়ালার ক্ষেত্রে এই গুণ সাব্যস্ত করা যাবে যে, আল্লাহর ছায়া রয়েছে?

উত্তর:  হ্যা। যেমনটি হাদীসে রয়েছে।  কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে, আল্লাহ তায়ালা তার আরশের ছায়ায় স্থান দিবেন। কিন্তু বোখারী মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে, তিনি তার নিজ ছায়ায় স্থান দিবেন। সুতরাং ” আল্লাহ তায়ালার শান অনুযায়ী আল্লাহর ছায়া রয়েছে। “

[মাজমুউ ফাতাওয়া ও মাকালাত, খ.২৮, পৃ.৪০২]

স্ত্রিনশট:

Read More

সালাফী আলেমদের আকিদাগত ভ্রান্তি ও মতবিরোধ (৪)

কুরসী হলো আল্লাহর দুটি পা রাখার স্থান:

আমরা দ্বিতীয় পর্বে বিস্তারিত প্রমাণসহ আলোচনা করেছি যে, বর্তমানের সালাফী আকিদার উৎস হলো ইহুদীদের আকিদা। এই কথাটি সালাফী আকিদার ক্ষেত্রে দিনের আলোর মতো সত্য। যারা সালাফীদের মৌলিক আকিদার কিতাব পড়েছেন, তাদের কারও কাছে বিষয়টি গোপন নয়। সাধারণ মানুষের সামনে তারা সহীহ আকিদার ঢেকুর তুললেও তাদের মৌলিক কিতাবে ইহুদী-খ্রিষ্টানদের আকিদাগুলোই বর্ণনা করা হয়েছে। এমন সব জঘন্য আকিদা বর্ণনা করা হযেছে, যার সাথে ইসলামী আকিদার কোন সম্পর্ক নেই। এসব আকিদা ইসলামীকরণের জন্য বিভিন্ন জাল ও দুর্বল বর্ণনার সহযোগিতা নেয়া হয়েছে। অধিকাংশ জাল ও জয়ীফ বর্ণনা ইহুদীদের কাছ থেকে নেয়া। ইহুদীদের কাছ থেকে নেয়া সালাফীদের একটি আকিদা হলো, কুরসী হলো আল্লাহর উভয় পা রাখার স্থান। এর মাধ্যমে প্রথমে তারা নাউযুবিল্লাহ আল্লাহর জন্য দু’টি পা সাব্যস্ত করেছে। এরপর আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য দিয়ে সেগুলোর জন্য রাখার কথা বলেছে। এবং আল্লাহর উভয় পা রাখার জন্য কুরসীর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছে। আমরা যে সূরা ইখলাসে পড়েছি, আল্লাহ তায়ালা অমুখাপেক্ষী, অথচ এদের বক্তব্য হলো, আল্লাহ তায়ালা কুরসীর উপর পা রাখেন। অর্থাৎ তিনি পা রাখার জন্য কুরসীর সহযোগিতা নেন। নাউযুবিল্লাহ। এধরনের জঘন্য সব আকিদা আল্লাহর জন্য তারা সাব্যস্ত করেছে। আল্লাহ পাক আমাদেরকে হেফাজত করুন।

Read More

Page 1 of 4

Designed By ijharul islam & Copyright iDEA