iDEA

islamic dawah and education academy

Month: November 2015 (Page 2 of 4)

সালাফী আলেমদের আকিদাগত ভ্রান্তি ও মতবিরোধ (৩)

আল্লাহ আরশে স্থির হয়েছেন:

আমরা জানি, গতিশীল বা ঘূর্ণনশীল বস্তুই কেবল স্থির হয়। আল্লাহ তায়ালার ক্ষেত্রে গতিশীল বা স্থির হওযার আকিদা মূলত: আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য দেয়া। অথচ তথাকথিত সালাফী আলেমরা আল্লাহ তায়ালা সম্পর্কে এই ভ্রান্ত আকিদা পোষণ করে থাকে।  পবিত্র কুরআনের সূরা ত্বহা ৫ নং আয়াত সহ বিভিন্ন জায়গায় ইস্তাওয়া শব্দ এসেছে। সালাফী আলেমরা ইস্তাওয়ার অর্থ করেছে বসা ও স্থির হওয়া। আমরা পূর্বের আলোচনায় আল্লাহ তায়ালা বসার ব্যাপারে সালাফীদের জঘন্য বক্তব্য উল্লেখ করেছি। এ পর্বে ইনশাআল্লাহ  তারা আল্লাহ তায়ালার ক্ষেত্রে যে স্থির হওযার মতো জঘন্য আকিদা রাখে তার বিস্তারিত প্রমাণ উল্লেখ করবো।

Read More

সালাফী আলেমদের আকিদাগত ভ্রান্তি ও মতবিরোধ (২)

আল্লাহ তায়ালা আরশে বসে আছেন (নাউযুবিল্লাহ): 

আল্লাহ তায়ালা আরশে বসার আকিদার মূল উৎস হলো ইহুদী ধর্ম। ইহুদীরা আল্লাহ তায়ালাকে আরশে বসা বা সমাসীন মনে করে। ইহুদীদের এই ঘৃণিত আকিদাটি গ্রহণ করেছে কাররামিয়ারা। কাররামিয়াদের অনুসারী হিসেবে তথাকথিত সালাফীরাও এটাকে তাদের আকিদা হিসেবে গ্রহণ করেছে। তবে তাদের কেউ কেউ আবার এই আকিদাকে ভ্রান্ত আকিদা বলেও উল্লেখ করেছে। যারা এই আকিদা পোষণ করেছেন, তাদের ভ্রান্তি সম্পর্কে বেশি কিছু বলার আছে বলে মনে করি না। আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের একটা শিশুও এই ভ্রান্ত আকিদা সম্পর্কে সচেতন। সে জানে, আল্লাহর জন্য সৃষ্টির কোন গুণ সাব্যস্ত করা কুফুরী। সেটা বসার আকিদা হোক, শোয়া বা দাড়ানোর আকিদা হোক না কেন। হাটা, চলা, বসা, দাড়ানো, শোয়া, এগুলো সব সৃষ্টির বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টির সব গুণ থেকে পবিত্র। তার গুণের সাথে তুলনীয় কিছুই নেই।

আল্লাহর বসার বিষয়ে আমরা সর্বপ্রথম ইহুদীদের আকিদা উল্লেখ করবো। এরপর কাররামিয়াদের আকিদা। সব শেষে সালাফী আলেমদের বক্তব্য।

Read More

সালাফী আলেমদের আকিদাগত ভ্রান্তি ও মতবিরোধ (১)

ভূমিকা:

ইসলামের মূল হলো একজন মানুষের বিশ্বাস। আল্লাহ সম্পর্কে বিশ্বাস। আল্রাহর নবী-রাসূল, ফেরেশতা ও পরকাল সম্পর্কে বিশ্বাস। এ বিশ্বাসকে কেন্দ্র করেই অন্যান্য বিধি-বিধান আরোপিত হয়। বিশ্বাসের বিশুদ্ধতা, আকিদার পরিশুদ্ধি একজন মানুষকে খাটি মুসলমান বানাতে পারে। মৌখিক স্বীকারোক্তি বা আনুষ্ঠানিক বিধি-বিধান পালনের পূর্বশর্ত আত্মিক বিশ্বাস। একজন মানুষ তখনই কেবল খাটি মুসলমান হিসেবে পরিগণিত হবে, যখন সে আমল ও স্বীকারোক্তির পাশাপাশি পরিশুদ্ধ বিশ্বাস লালন করবে। অন্তরের গহীন থেকে অন্ধরাচ্ছন্ন বিশ্বাসকে ইমানের আলোয় আলোকিত করবে। সহীহ আকিদার বৃক্ষটি যখন তার অন্তরে শাখা-প্রশাখা বিস্তার করতে থাকবে, তখনই কেবল সে সিরাতাল মুস্তাকীমের পথে অগ্রসর হতে থাকবে। তার অন্তরে প্রোথিত বিশ্বাসের বৃক্ষটির মূল হবে  হবে অনড়,  শাখা-প্রশাখা হবে গগনচুম্বী। পবিত্র কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী এমন বস্তুনিষ্ঠ অবিচল বিশ্বাসকেই কালিমায়ে তৈয়্যেবার বিশ্বাস বলা হয়েছে। এটিই মূলত: সহীহ আকিদার মূলমন্ত্র। অন্তরের এমন পরিশুদ্ধ ও দৃঢ় বিশ্বাস আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বিশেষ নেয়ামত। এই নেয়ামত কেবল রাসূল স. এর সুন্নাহ, সাহাবায়ে কেরামের অনুসৃত পথের পথিকদেরকেই দান করা হয়। অর্থাৎ আহলুস সুন্নাহ বা সুন্নতের অনুসারী এবং আহলুল জামায়া বা সাহাবায়ে কেরামের জামাতের সাথে চলার ব্যাপারে যারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তারাই কেবল এই নেয়ামতের ছায়াতলে আশ্রয় পেয়ে থাকেন। আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের বাইরে যতো মত, দল, মতবাদ বা মতাদর্শ রয়েছে, তারা সহীহ আকিদার নেয়ামত থেকে বন্চিত। সহীহ আকিদা থেকে বন্চিত হওয়ার কারণেই তারা বিপথগামী হয়েছে। বাহাত্তর দলের অন্তুর্ভূক্ত হয়েছে। কেয়ামত পর্যন্ত সহীহ ও বাতিল আকিদার এই ধারা অব্যাহত থাকবে। প্রত্যেক যুগেই এমন কিছু আকিদার অনুসারী থাকবে, যারা সহীহ আকিদার অনুসারী আবার কিছু লোক থাকবে বাতিল ও ভ্রান্ত পথের অনুসারী। এটা চিরাচরিত নিয়ম।

Read More

মৃত্যুপরবর্তী কারামত ও কারামত অস্বীকারকারীদের মনস্তত্ব (৮)

মৃত ব্যক্তি একে-অপরের সাথে সাক্ষাৎ

মৃত ব্যক্তি একে -অপরের সাথে সাক্ষাতের বিষয়টি রাসূল স. এর হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। রাসূল স.বলেন,

” إذا ولي أحدكم أخاه فليحسن كفنه , فإنهم يبعثون في أكفانهم و يتزاورون في أكفانهم “

অর্থ: তোমরা যখন তোমাদের মৃত ভাইকে বিদায় করবে, তখন তার কাফন সুন্দর করো। কেননা তাদের কাফনে তারা পুনরুত্থিত হবে  এবং তাদের কাফনে তারা একে-অপরের সাথে সাক্ষাৎ করে।

হাদীসটিকে শেইখ নাসীরুদ্দীন আলবানী সহীহ বলেছেন।  সিলসিলাতুস সহীহা, খ.৩, পৃ.৪১১

সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত বিষয়টি যদিও আমাদের জ্ঞানের উর্ধ্বে, তবুও আমরা এটি বিশ্বাস করি।

কবরের বিভিন্ন নেয়ামত ও সংক্রান্ত কারামত:

এ বিষয়ে ইবনে রজব হাম্বলী রহ. বলেন,

و ما شوهد من نعيم القبر و كرامة أهله فكثير أيضا

অর্থ: কবরের বিভিন্ন নেয়ামত ও কবরবাসীর কারামতের উপর বহু ঘটনা  প্রত্যক্ষ করা হয়েছে।

-আহওয়ালুল কুবুর, পৃ.১২১

এরপর এ বিষয়ে তিনি অনেক কারামত ও ঘটনা উল্লেখ করেছেন তার আহওয়ালুল কুবুর কিতাবে।

Read More

মৃত্যুপরবর্তী কারামত ও কারামত অস্বীকারকারীদের মনস্তত্ব (৭)

মৃত্যুর পর বিভিন্ন আমল

বিখ্যাত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহ. কবরের বিভিন্ন অবস্থা সম্পর্কে বিখ্যাত একটি কিতাব লিখেছেন। আহওয়ালুল কুবুর কিতাবের নাম।  রুহ, বারজাখ ও কবর সম্পর্কে অনেকেই কিতাব রচনা করেছেন। এর মধ্যে বিখ্যাত মুহাদ্দিস ইবনে আবিদ দুনিয়া রহ. আল-কুবুর কিতাবটি সবচেয়ে প্রাচীন। এছাড়া ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহ. আজ-জুহদ কিতাবে এসম্পর্কিত বেশ কিছু বর্ণনা রয়েছে। এ বিষয়ে পৃথক কিতাব লিখেছেন, ইবনুল কাইয়্যিম রহ.। ইবনুল কাইয়্যিম রহ. এর আর-রুহ কিতাবটি বিখ্যাত। এছাড়াও জালালুদ্দীন সূয়ূতী রহ.  শরহুস সুদুর নামে বারজাখ বা কবরের জীবনের উপর কিতাব লিখেছেন। জালালুদ্দীন সূয়ূতী রহ. এর কিতাবটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল, এতে পূর্ববর্তী লিখিত বিভিন্ন কিতাবের সার নির্যাস তুলে ধরেছেন।

মৃত্যুর পর বিভিন্ন আমল সম্পর্কে উপর্যুক্ত কিতাবগুলোর প্রত্যেকটিতেই আলোচনা রয়েছে। আমরা ইবনে রজব হাম্বলী রহ. এর কিতাব থেকে আলোচনার মৌলিক অংশটি তুলে ধরব।

Read More

মৃত্যুপরবর্তী কারামত ও কারামত অস্বীকারকারীদের মনস্তত্ব (৬)

মৃত্যুর পর পুনরায় জীবন লাভ

 ইবনে কাসীর রহ. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়াতে বিখ্যাত মুহাদ্দিস ইবনে আবিদ দুনিয়ার সূত্রে ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন। ইবনে আবিদ দুনিয়া রহ. নিজ সনদে বর্ণনা করেন, রবীয়া ইবনে কুলসুম জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন, উক্ত ব্যক্তির এক বৃদ্ধা প্রতিবেশী ছিল। তিনি অন্ধ ও কিছুটা বধির ছিলেন। হাটা-চলা করতে পারতেন না। তার একটি মাত্র ছেলে ছিল। ছেলেটি তার দেখা-শোনা করতো। ছেলেটি মৃত্যুবরণ করল। আমরা এসে বৃদ্ধাকে  বললাম, মুসীবতে আল্লাহর উপর সবর করুন। তিনি বললেন, কী হয়েছে? আমার ছেলে কি মারা গেছে? হে আমার মাওলা, আমার উপর রহম করো। আমার থেকে আমার ছেলেকে নিও না। আমি অন্ধ, বধির ও অচল। আমার দুনিয়াতে আর কেউ নেই। মাওলা, আমার উপর রহম করুন।

আমি বললাম, বৃদ্ধার স্মৃতিভ্রম হয়েছে। এই বলে আমি বাজারে গেলাম। আমি তার কাফনের কাপড় ক্রয় করে নিয়ে এলাম। ফিরে এসে দেখি সে জীবিত হয়ে বসে আছে।

১. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, খ.৬, পৃ.১৫৪।

২.দালাইলুন নুবুওয়া, খ.৬, পৃ.৫০-৫১

Read More

মৃত্যুপরবর্তী কারামত ও কারামত অস্বীকারকারীদের মনস্তত্ব (৫)

মৃত্যুপরবর্তী কার্যক্রম ও দুনিয়াতে এর প্রতিক্রিয়া:

আর রুহ ইবনুল কাইয়্যিম রহ. এর বিখ্যাত একটি কিতাব। ইবনে তাইমিয়া রহ. এর ইন্তেকালের পরে তিনি কিতাবটি লিখেছিলেন।

ইবনুল কাইয়্যিম রহ. কিতাবুর রুহে লিখেছেন,

وأما من حصل له الشفاء بإستعمال دواء رأى من وصفه له في منامه فكثير جدا وقد حدثنى غير واحد ممن كان غير مائل إلي شيخ الإسلام ابن تيمية أنه رآه بعد موته وسأله عن شيء كان يشكل عليه من مسائل الفرائض وغيرها فأجابه بالصواب وبالجملة فهذا أمر لا ينكره إلا من هو أجهل الناس بالأرواح وأحكامها وشأنها وبالله التوفيق

অর্থ: স্বপ্নের মাধ্যমে প্রাপ্ত ওষুধের দ্বারা আরোগ্য লাভের অসংখ্য ঘটনা রয়েছে। ইবনে তাইমিয়া রহ. এর ভক্ত ছিল না, এমন অনেকেই আমার কাছে বর্ণনা করেছে, তার মৃত্যুর পরে তাকে স্বপ্নে দেখেছে। তার কাছে বিভিন্ন জটিল মাসআলা-মাসাইল জিজ্ঞাসা করেছেন। যেমন, উত্তরাধিকার (ফারাইজ) বন্টন সম্পর্কিত মাসআলা। তিনি এগুলোর সঠিক উত্তর দিয়েছেন। মোটকথা, এ বিষয়গুলি যারা অস্বীকার করে, তারা রুহ ও এর বিভিন্ন কার্য সম্পর্কে সবচেয়ে মূর্খ।

[কিতাবুর রুহ, দারুল কুতুবিল ইলমিয়া, পৃ.৪৮]

Read More

মৃত্যুপরবর্তী কারামত ও কারামত অস্বীকারকারীদের মনস্তত্ব (৪)

মৃত্যুর পর কথোপকথন: আমরা আগের পর্বে মৃত্যুর পর কথোপকথনের দু’টি ঘটনা উল্লেখ করেছি। এ বিষয়ে আরও অনেক ঘটনা রয়েছে। সংক্ষিপ্ত কয়েকটি উল্লেখ করে পরবর্তী বিষয়ের দিকে যাবো ইনশাআল্লাহ।

ঘটনা -৩:

বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও ঐতিহাসিক ইবনে আসাকির তার তারীখে লিখেছেন,

عن عبد الله بن عتبة الأنصاري ، قال بينما ثم يثورون القتلى يوم مسيلمة إذ تكلم رجل من الأنصار من القتلى ، فقال : محمد رسول الله أبو بكر الصديق عمر الشهيد عثمان الرحيم ثم سكت

আব্দুল্লাহ ইবনে উতবা আল-আনসারী রা. বলেন, মুসালাইমাতুল কাজ্জাবের সাথে যখন ঘোরতর লড়াই চলছিল, আনসারী এক শহীদ  কথা বলে উঠল। সে বলল, “মুহাম্মাদ স. আল্লাহর রাসূল। আবু বকর হলেন সিদ্দিক (সত্যবাদী), উমর রা. হলেন শহীদ। উসমান রা. হলেন নম্র ও কোমল হৃদয়ের অধিকারী। এরপর সে চুপ করল।

তারীখে দিমাশক, খ.৩০, পৃ.৪০৮

মান আশা বা’দাল মাউত, পৃ.১৭, বর্ণনা নং ৮

Read More

মৃত্যুপরবর্তী কারামত ও কারামত অস্বীকারকারীদের মনস্তত্ব (৩)

মৃত্যুর পর কথোপকথন

 ইমাম বাইহাকী রহ. হযরত সাইদ ইবনুল মুসাইয়্যাব থেকে  বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, হযরত উসমান রা. এর সময় যায়েদ ইবনে খারিজা আল-আনসারী রা. ইন্তেকাল  করেন। তাকে কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি কথা বলে উঠেন। এবং বলেন, রাসূল স. এর কথা পূর্ববতী আসমানী কিতাবে রয়েছে। আবু বকর সত্য বলেছেন। উমর সত্য বলেছেন। উসমান সত্য বলেছেন।

ঘটনার সনদ বা সূত্র বিশুদ্ধ। দেখুন,

১. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া,  ইবনে কাসীর রহ. খ.৬, পৃ.২৯৩

২.দালাইলুন নুবুওয়াহ, ইমাম বাইহাকী রহ.। হাদীস নং ২৩০৫

৩.আল-ইস্তেয়াব, ইবনে আব্দুল বার রহ. বর্ণনা নং ৮৪৪ ।

৪. ত্ববরানী ফিল কাবীর, বর্ণনা নং ৫১৪৪

৬.তাহজীবুল কামাল।

৭. আস-সিকাত, ইবনে হিব্বান রহ.।

৮. ইমাম আবু হাতিম, মাশাহিরু উলামায়িল আমসার।

Read More

মৃত্যুপরবর্তী কারামত ও কারামত অস্বীকারকারীদের মনস্তত্ব (২)

কারামত অস্বীকারকারীদের মনস্তত্ব হল, যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে কারামত সংগঠিত হওয়া সম্ভব নয। তাদের মতে মৃত্যুপরবর্তী কারামতে বিশ্বাস কুফুরী। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একজন মৃত্যুবরণ করেছেন। তার কবর থেকে সালামের উত্তর শোনা সম্ভব নয়। এটা ভ্রান্ত ও কুফুরী। তাকে কবরের মাঝে সরাসরি দেখতে পাওয়া অথবা কবর থেকে তার হাতবের হতে পারে, এধরনের বিশ্বাস রাখা শিরক। কারামত অস্বীকারকারীরা এগুলোকে কুফুরী ও শিরকী আকিদা বলে থাকেন। বিশেষভাবে মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে দুনিয়াতে যে কোন ধরনের ঘটনা প্রকাশিত হওয়া তাদের নিকট কুফুরী ও শিরক। এটা হল, তাদের মৌলিক বিশ্বাস।

হায়াতুন্নবী বাহাসে কারামত অস্বীকারকারী মুরাদ বিন আমজাদ ও তার সঙ্গীরা এধরনের কারামতকে কুফুরী শিরকী আখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেছে। তাদের মতে এগুলো ভ্রান্ত আকিদ। এগুলো ছাটাই করার  মিশনে নেমেছেন তথাকথিত আহলে হাদীস ও সালাফীরা । আল্লাহ এসব কারামত অস্বীকারকারীদের ফেতনা থেকে উম্মাহকে হেফাজত করু।

Read More

Page 2 of 4

Designed By ijharul islam & Copyright iDEA