আমার জানা মতে শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওহাব নজদি বা তার পরবর্তী অনুসারিরা কখনও কাফেরদের বিরুদ্ধে কোন যুদ্ধ করেননি। কারও জানা থাকলে জানালে উপকৃত হব।

তাদের সব যুদ্ধ ছিল মুসলমান ও মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলের বিরুদ্ধে। তাদের দৃষ্টিতে এরা অবশ্য মুসলমান ছিল না। তারা এদেরকে মুরতাদ ও মুশরিক মনে করে যুদ্ধ করেছেন।

আমরা বিশ্বাস করি, শাইখের মুসলমানদেরকে মুশরিক বলা এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করাটা ছিল অন্যায় ও বাড়াবাড়ি। তার ও তার অনুসারীদের এই কাজকে সঙ্গত কারণেই আমরা শরয়ী জিহাদ বলতে পারছি না।

মূল ধারার দেওবনদী আলেমগণ এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই তাকফিরের ক্ষেত্রে শাইখের বাড়াবাড়ির কথা বলেছেন।

কাফেরদের বিরুদ্ধে জিহাদ আর মুসলমানদেরকে কাফের বানিয়ে তাদের রক্তপাত কখনও এক হতে পারে না। আকাশ পাতালের ফারাক। যারা এই ফারাক বোঝেন না তাদের কেউ কেউ মনে করছেন, দেওবন্দি আকাবিরগণ শাইখের জিহাদের বিরোধী ছিলেন। যারা শাইখের অস্ত্রধারণ ও রক্তপাতের বিরোধিতা করেছেন, তারা কেউ একে জিহাদ মনে করেননি।

সুতরাং শাইখের বিরোধিতা করলেই সে জিহাদ ও কিতালের বিরোধী, মুজাহিদেরকে তাকফিরি বলে, এধরণের চিন্তা করা অন্যায়। শরিয়তের প্রত্যেকটা হুকুম তার সীমা-রেখার মধ্যে থেকেই মানতে হবে। এখানে আবেগের চেয়ে বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিতে হবে।

Print Friendly