iDEA

islamic dawah and education academy

Category: আকিদা (Page 3 of 6)

সাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে আহলে হাদীসদের দৃষ্টিভঙ্গি (২)

সাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে কাজী শাওকানী ও নওযাব সিদ্দিক হাসান খানের জঘন্য বক্তব্য:

এ পর্বে আহলে হাদীসদের বিখ্যাত দুই গুরুর বক্তব্য তুলে ধরা হলো।

হযরত ত্বলহা ও যোবায়ের রা. এর ব্যাপারে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ:

কাজী শাওকানী  ওবালুল গামাম নামে একটি কিতাব লিখেছেন। কিতাবটি তাহকীক করেছেন, মুহাম্মাদ সাবহী হাসান হাল্লাক। এটি প্রকাশ করেছে, মাকতাবাতুল ইলম, জিদ্দা ও মাকতাবায়ে ইবনে তাইমিয়া, কায়রো। প্রথম প্রকাশ, ১৪১৬ হি:

 

ওবালুল গামামের দ্বিতীয় খন্ড, পৃ.৪১৪-৪১৫ পৃষ্ঠায় হযরত ত্বলহা ও হযরত যুবায়ের রা. সম্পর্কে কাজী শাওকানী লিখেছে,

أما طلحة والزبير ومن معهم , فلأنهم قد كانوا بايعوه , فنكثوا بيعته بغياً عليه , وخرجوا في جيوش من المسلمين , فوجب قتاله

অর্থ: ত্বলহা, যোবায়ের ও তাদের সাথীরা যেহেতু হযরত আলী রা. এর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেছিলেন, অত:পর তার সাথে বিদ্রোহ করে তার বাইয়াত ভঙ্গ করেছে এবং মুসলমানদের একটি সৈন্যবাহিনী প্রস্তুত করেছে, সুতরাং তাদের সাথে হযরত আলী রা. এর যুদ্ধ করা ওয়াজিব হয়ে গেছে।  

Read More

সাহাবায়ে কেরাম সম্পর্কে আহলে হাদীসদের দৃষ্টিভঙ্গি (১)

ভূমিকা

সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা ও সম্মান সস্পর্কে কুরআন ও হাদীসের বিস্তারিত বর্ণনা এখানে নিষ্প্রয়োজন। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের একটা শিশুও সাহাবায়ে-কেরামের মর্যাদার ব্যাপারে সচেতন। সাহাবায়ে কেরাম রা. যেমন ছিলেন সত্যের মাপকাঠি, তেমনি তারা দুনিয়া থেকেই আল্লাহর সন্তুষ্টির ঘোষণাপ্রাপ্ত। ইসলামের সঠিক পথ নির্ণয়ের মাপকাঠি হলো, সাহাবায়ে কেরাম রা. এর অনুসৃত পথের অনুসরণ। যুগে যুগে যারাই সাহাবায়ে কেরাম রা. এর পথ থেকে দূরে সরে গিয়েছে, তারাই গোমরাহ ও পথভ্রষ্ট হয়েছে। হক ও বাতিলের মাঝে পার্থক্যকারী হলেন সাহাবায়ে কেরাম। যারা সাহাবায়ে কেরামকে যথাযথ সম্মান করে, তাদের অনুসৃত পথে চলে,তারাই মুলত: কুরআন ও সুন্নাহের প্রকৃত অনুসারী। সাহাবায়ে কেরামের অনুসৃত পথ ব্যতীত লক্ষ-কোটি বারও কুরআন ও সুন্নাহ অনুসরণের দাবী করলেও তারা গোমরাহ ও পথভ্রষ্ট।

যুগে যুগে যারা সাহাবায়ে কেরামের বুঝকে পায়ে দলে, তাদের অনুসৃত পথকে দূরে সরিয়ে নিজেদের মনগড়া মতবাদ চালু করেছে, তারাই মুলত: ভ্রষ্টতার গভীরে নিমজ্জিত হয়েছে। সাহাবায়ে কেরামের যথার্থ সম্মান ও মর্যাদা না দিয় যারা তাদের সমালোচনা করেছে, তারাই যুগে যুগে আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। সুতরাং হক ও বাতিলের পরিচয়ের জন্য আমাদের বিস্তর গোবেষণার প্রয়োজন নেই। সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, আমরা দেখবো, কারা রাসূল স. এর সাহাবাদের অনুসৃত পথে চলে। যারা কুরআন ও সুন্নাহকে সাহাবায়ে কেরাম এর বুঝ অনুযায়ী অনুসরণ করে তারাই মুলত: মুক্তিপ্রাপ্ত সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত দল। এর বাইরে যতো দল, মত বা মতবাদ রয়েছে, সবগুলোই ভ্রষ্টতা ও গোমরাহী।

Read More

ভ্রান্ত সালাফী আকিদার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস(৪)

হাশাবিয়া মুহাদ্দিসদের মাঝে মুশাববিহা ও মুজাসসিমা ফেরকা: 

মুকাতেলিয়া ফেরকা:

মুকাতিল ইবনে সুলাইমান আল-বালখী (মৃত:১৫০ হি:) ও তার অনুসারীদেরকে মুকাতিলিয়া ফেরকা বলা হয়। মুকাতিল ইবনে সুলাইমান তাফসীর শাস্ত্রে অভিজ্ঞ ছিলো, কিন্তু আক্বিদার ক্ষেত্রে সে ছিলো মুশাববিহা ও মুজাসসিমা। হাদীস শাস্ত্রে মুহাদ্দিসদের ঐকমত্য অনুসারে সে পরিত্যক্ত।

ইমাম যাহাবী রহ. সিয়ারু আ’লামিন নুবালাতে লিখেছেন,

أجمعوا على تركه

অর্থ: হাদীস শাস্ত্রে সে পরিত্যাক্ত হওয়ার ব্যাপারে মুহাদ্দিসগণের ইজমা হয়েছে।[১]

মুকাতিল ইবনে সুলাইমান মুজাসসিমা হওয়ার বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। তার আক্বিদা বিশ্বাস বাতিল হওয়ার ব্যাপারেও কারও দ্বিমত নেই।

ইমাম আবুল হাসান আশআরী রহ. তার সম্পর্কে বলেন,

حكي عن أصحاب مقاتل أن الله جسم وأن له جثةً وأنه على صورة الإنسان لحم ودم وشعر وعظم وجوارح وأعضاء من يد ورجل ورأس وعينين مصمت وهو مع ذلك لا يشبه غيره ولا يشبهه غيره

অর্থ: মুকাতিল ইবনে সুলাইমানের অনুসারীদের থেকে বর্ণিত আছে, আল্লাহ তায়ালা দেহ ও শরীর বিশিষ্ট। তিনি মানুষের আকৃতি বিশিষ্ট। আল্লাহর গোশত, রক্ত, চুল, হাড্ডি ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রতঙ্গ যেমন হাত, পা, মাথা ও দু’ চোখ রয়েছে। এগুলো থাকা সত্ত্বেও তিনি কারও সঙ্গে সাদৃশ্য রাখেন না এবং কেউ তার সদৃশ নয়।[২]

Read More

ভ্রান্ত সালাফী আকিদার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস (৩)

মুগিরিয়া ফেরকা:

মুগিরা ইবনে সাইদ আল-ইজলি (মৃত:১১৯ হি:) ও তার অনুসারীদেরকে মুগিরিয়া বলা হয়। ইমাম যাহাবী মুগিরা ইবনে সাইদ সম্পর্কে বলেন,

وكان هذا الرجل ساحراً فاجراً شيعياً خبيثاً

অর্থ: সে যাদুকর, পাপী, শিয়া ও নিকৃষ্ট প্রকৃতির লোক ছিলো।

মুগিরিয়া ফেরকার আক্বিদা সম্পর্কে ইমাম আব্দুল কাহের বাগদাদী রহ. বলেন,

ومنها إفراطه في التشبيه، وذلك أنه زعم أن معبوده رجل من نور على رأسه تاج من نور، وله أعضاء على صور حروف الهجاء، وأن الألف منها مثال قدميه والعين على صورة عينيه، …ومنها أنه تكلم في بدء الخلق فزعم أن الله تعالى لما أراد أن يخلق العالم تكلم باسمه الأعظم فطار ذلك الاسم ووقع تاجاً على رأسه. وتأول على ذلك قوله تعالى: (سبح اسم ربك الأعلى) وزعم أن الاسم الأعلى إنما هو ذلك التاج. ثم إنه بعد وقوع التاج على رأسه كتب بإصبعه على كفه أعمال عباده. ثم نظر فيها فغضب من معاصيهم فعرق، فاجتمع من عرقه بحران أحدهما مالح والآخر عذب. ثم اطلع في البحر فأبصر ظله فذهب ليأخذه فطار فانتزع عيني ظله فخلق منها الشمس والقمر، وأفنى باقي ظله وقال: لا ينبغي أن يكون معي ثم خلق الخلق من البحرين فخلق الشيعة من البحر العذب النير فهم المؤمنون وخلق الكفرة وهم أعداء الشيعة من البحر المظلم المالح

অর্থ: তার ভ্রান্ত বিষয়গুলোর একটি হলো সে আল্লাহ তায়ালাকে নিকৃষ্টভাবে সৃষ্টির সঙ্গে সাদৃশ্য প্রদান করতো। সে বিশ্বাস করতো, আল্লাহ তায়ালা  আলোকময় এক ব্যক্তি, যার মাথায় নূরের মুকুট রয়েছে। আরবী বর্ণমালার আকৃতি অনুযায়ী আল্লাহর আকৃতি রয়েছে। আরবী বর্ণমালার আলিফ আল্লাহর পায়ের উদাহরণ। আরবী আইন অক্ষরটি আল্লাহর চোখের অনুরূপ। সে বিশ্বাস করতো, আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টির শুরুতে কথা বলেন। সে ধারণা করতো আল্লাহ তায়ালা যখন মহাবিশ্ব সৃষ্টির ইচ্ছা করেন তিনি তার ইসমে আ’জম উচ্চারণ করেন। এই ইসমে আজম উড়ে গিয়ে তার মাথায় বসে এবং এটি তার মুকুট হয়। সে তার বক্তব্যের প্রমাণ হিসেবে পবিত্র কুরআনের আয়াত উপস্থাপন করে এর বিকৃত ব্যাখ্যা করে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, আপনি আপনার প্রভূর নামের পবিত্রতা বর্ণনা করুন, যিনি মহান। সে এই আয়াতের বিকৃত ব্যাখ্যা করে বলেছে, এখানে সম্মানিত নাম দ্বারা আল্লাহর মুকুট উদ্দেশ্য। আল্লাহ তায়ালার মাথায় এই মুকুট আসার পর তিনি তার দুই আঙ্গুল দ্বারা হাতের তালুর উপরে বান্দার আমল লিপিবদ্ধ করেছেন। অত:পর তিনি এই আমলগুলোর দিকে দৃষ্টি বুলান। বান্দার গোনাহ দেখে তিনি রাগান্বিত হয়ে যান। এই রাগের কারণে তিনি ঘর্মাক্ত  হয়ে যান। তার ঘাম থেকে দু’টি সমুদ্র প্রবাহিত হয়। একটি লবণাক্ত, অপরটি সুমিষ্ট। এরপর তিনি সমুদ্রের দিকে উঁকি দেন। সেখানে তিনি নিজের ছায়া দেখতে পান। তিনি সেটা ধরতে যান। কিন্তু ছায়া উড়ে যায়। এরপর তিনি তার নিজ ছায়া থেকে চন্দ্র ও সূর্য সৃষ্টি করেন। অবশিষ্ট ছায়াকে তিনি নি:শেষ করে দেন। অত:পর তিনি বললেন, এগুলো আমার সাথে থাকা উচিৎ নয়। দুই সমুদ্র থেকে তিনি মাখলুককে সৃষ্টি করলেন। সুমিষ্ট পানির সমুদ্র থেকে শিয়াদেরকে সৃষ্টি করেন এবং লবণাক্ত  ও অন্ধকার সমুদ্র থেকে শিয়াদের শত্রুদেরকে সৃষ্টি করেন।”[১]

Read More

আল্লাহ তায়ালা কোথায় ? ওলামায়ে দেওবন্দের অবস্থান। – ইজহারুল ইসলাম আল–কাউসারী

এক নাস্তিক এবং ইমাম আবু হানীফা “শায়েখ যাহির মাহমূদ”

সৌদি ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া বনাম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লামের হাদীস

সৌদি ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া –
“ মৃতব্যাক্তি সম্বন্ধে সাধারণ নিয়ম হচ্ছে, নবী-রাসুল বা সাধারণ মুসলিম যেই হোন না কেন, তিনি তাঁর কবরে নড়া-চড়া করতে পারেন না।” (ফতোয়া নং ২১৪১২)

কিন্তু সহীহ হাদীস অনুযায়ী আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের আক্বিদা হল –

তায়ালা চাইলে মৃত্যুর পরও রুহ,দেহ বা প্রতিচ্ছবির মাধ্যমে কারামত সংগঠিত করতে পারেন। অর্থাৎ আল্লাহ চাইলে মৃত্যুর পরও কারো জন্য কবরে নাড়াচড়ার ব্যাবস্থা করতে পারেন যেমন কবর থেকে কারো হাত বা সম্পূর্ণ দেহও বের হয়ে আসতে পারে। এটা কারামত হিসেবেও করতে পারেন আবার কোন কিছুর নিদর্শণ হিসেবেও করতে পারেন।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওসাল্লামের হাদীস

Read More

সহীহ আকিদার নামে ফেরআউনী আকিদার দাওয়াত

ভ্রান্ত সালাফী আকিদার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ(২)

স্রষ্টাকে সৃষ্টির সঙ্গে সাদৃশ্য প্রদানে বাতিল ফেরকাসমূহ  আসমানী ধর্মসমূহের মধ্যে স্রষ্টাকে সৃষ্টির স্তরে নামিয়েছে ইহুদীরা। খ্রিষ্টানরা স্বয়ং সৃষ্টিকে স্রষ্টা বানিয়েছে। এভাবে মূল তাউহীদের আক্বিদায় মারাত্মকভাবে পথভ্রষ্ট হয়ে কুফুর-শিরকে নিপতিত হয়েছে। পরবর্তীতে মুসলমানদের অনেক বাতিল ফেরকা ইহুদী-খ্রিষ্টানদের এসব কুফুরী-শিরকী আক্বিদা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বিভিন্ন সময়ে ইহুদী-খ্রিষ্টানদের কুফুরী আক্বিদাগুলো মুসলমানদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছে। ইহুদী বর্ণনার দ্বারা প্রভাবিত মুসলমানদের মধ্যে সর্বপ্রথম শিয়ারা এসব কুফুরী আক্বিদা প্রচার করে। এদের পাশাপাশি একদল অজ্ঞ মুহাদ্দিস কুরআন-সুন্নাহের বাহ্যিক শব্দ অনুসরণের নামে ইহুদীদের এসব কুফুরী আক্বিদা প্রচার করতে থাকে।

এবাবে সাধারণ মুসলমানদের মাঝে ইহুদী-খ্রিষ্টানদের কুফুরী আক্বিদাগুলো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। মুসলমানদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে এবং কুরআন সুন্নাহের অনুসরণের ধুয়ো তুলে তারা অনেক সাধারণ মানুষকেও এসব কুফুরী আক্বিদার দিকে পরিচালিত করে। আল্লাহ তায়ালার নাম ও গুণাবলী বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার পূর্বে এসব বাতিল ফেরকাসমূহের পরিচিতি স্পষ্ট হওয়া আবশ্যক।

Read More

ভ্রান্ত সালাফী আকিদার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ (১)

আসমানী কিতাব যাদের উপর অবতীর্ণ হয়েছে তাদের মধ্যে ইহুদীরা আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টির সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্য প্রদান করেছে। বনী ইসরাইল আল্লাহ তায়ালার জন্য এমনসব গুণাবলি সাব্যস্ত করেছে যা কেবল মানুষ ও সৃষ্টির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মুসা আ. এর এর উপস্থিতিতে তারা তাজসীম তথা আল্লাহ তায়ালার দেহ সাব্যস্তের মতো বাতিল আক্বিদার দিকে ধাবিত হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা তার দয়া ও রহমতের মাধ্যমে বনী ইসরাইলকে ফেরআউনের কবল থেকে রক্ষা করেন, অথচ সমুদ্র পার হয়ে তারা মুসা আ. কে আল্লাহর মূর্তি বানিয়ে দেয়ার আবেদন জানিয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন,

وجاوزنا ببني إسرائيل البحر فأتوا على قوم يعكفون على أصنام لهم قالوا يا موسى اجعل لنا إلها كما لهم آلهة

অর্থ: আর আমি বনী ইসরাইলকে সাগর পার করে দিয়েছি, তখন তারা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে পৌঁছলো, যারা নিজেদের বানানো কতোগুলো প্রতিমার পূজায় রত ছিলো। বনী ইসরাইল বলল, হে মুসা, আমাদের জন্য এরূপ একটি উপাস্য নির্ধারণ করে দেন, যেরূপ এদের উপাস্য রয়েছে।[১]

পবিত্র কুরআনে আরও স্পষ্টভাবে বনী ইসরাইলের এই মানসিকতা উল্লেখ করা হয়েছে। তারা মহান আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টির সঙ্গে সাদৃশ্য দিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি, বরং রীতিমত মূর্তি বানিয়ে তার পূজা শুরু করেছে। তারা সর্বদা আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টির সদৃশ একটি সত্ত্বা বলেই বিশ্বাস করতো।

Read More

Page 3 of 6

Designed By ijharul islam & Copyright iDEA