iDEA

islamic dawah and education academy

Category: ফিকহ (Page 1 of 3)

ফরয সালাতের পর ইজতেমায়ি দোয়া সম্পর্কে ওলামায়ে দেওবন্দের মত

এ ব্যাপারে ওলামায়ে দেওবন্দের মত আলোচনা করার আগে সকলকে একটা বিষয় স্পষ্ট করে দেওয়া দরকার যে আহলে হাদীস শায়খগণ এ ব্যাপারে ওলামায়ে দেওবন্দের নামে খেয়ানতের সাথে মিথ্যাচার করে আসছে। ওলামায়ে দেওবন্দের বিভিন্ন কিতাব থেকে এক অংশ প্রকাশ করে আলোচনার ফলাফলকে চেপে রাখে। এটা তাদের নতুন কোন পদ্ধতি না। সাধারণ মানুষ যেহেতু বড় বড় আরবী কিতাব মুতালায়া করে তাদের মত যাচাই করতে পারে না তাই দলিলের চিপায় ফেলে সাধারণ মানুষদের আই ওয়াশ করে আসছে। তারা যে অংশটুকু গোপন করে আসল বিষয় সে অংশের মধ্যেই বিদ্যমান থাকে। আলোচনা করতে গিয়ে আমি সে গোপন করা অংশটুকুই প্রকাশ করবো ইনশাল্লাহ।

               হযরত মাওলানা মুফতী রশীদ আহমাদ গাঙ্গুহী রহ.

ফকীহুন্নফস হযরত মাওলানা মুফতী রশীদ আহমাদ গাঙ্গুহী রহ.ও মুনাজাত অস্বীকারকারীদের সমালোচনা করেছেন। (আল কাওকাবুদ্দুররী: ২/২৯১)

              হাকীমুল উম্মাত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ.

নামাযের পরে ইমামের দুআ’ করা এবং উপস্থিত লোকদের আমীন বলার বিষয়ে অনেক আলোচনা-পর্যালোচনা করা হয়েছে। ইমাম ইবনে আরাফা এবং অন্যান্যদের বক্তব্যের সার কথা এই যে, যদি নামাযের পরের দুআ’ এই বিশ্বাসে করা হয় যে, এটা নামাযের ছুন্নাত-মুস্তাহাবসমূহের একটি ছুন্নাত বা মুস্তাহাব আমল। তাহলে এটা বৈধ নয়। তবে এ ধরণের বিশ্বাস পোষণ করা ব্যতীত যদি এ জন্য দুআ’ করে যে, এটা স্বতন্ত্র একটা মুস্তাহাব ইবাদাত। তাহলে দুআ’র মূল হুকুমের উপর ভিত্তি করে এটাও মুস্তাহাব হবে যেহেতু দুআ’র ফজিলত কুরআন হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। (ইমদাদুল ফতোয়া-১ম খন্ড, ৮০৪ পৃষ্ঠা)

Read More

আহলে হাদীসদের সাথে আমাদের মৌলিক বিরোধ কোথায়?

আহলে হাদীসদের বিরুদ্ধে আমরা কেন কথা বলছি? বর্তমান যুগে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জবাব জানা সমস্ত মুসলিমদের জন্য জরুরী! বিস্তারিত জানতে ভিডিও দেখুন

এখানে বক্তব্যের কিছু বিশেষ অংশ তুলে ধরা হলোঃ আহলে হাদীসদের কিতাবে সাহাবায়ে কেরাম রাঃ দের বিরুদ্ধে বিষোদগার পাওয়া যায়! আহলে হাদীসদের এক মহা (!) মনিষী বলেন,কিছু কিছু সাহাবী ফাসেক ছিলেন! (নাউযুবিল্লাহ) এদের কিতাবে আরো আছে, কিছু কিছু সাহাবীদের রাদিআল্লাহু আনহু বলা যাবেনা! (নাউযুবিল্লাহ)।
(অথচ হাদীসে বলা হয়েছে,সাহাবায়ে কেরাম রাঃ সমালোচকদের উপর আল্লাহর লানত!) ।

আহলে হাদীসদের কিতাবে আছে আল্লাহ আরশে বসে আছেন এবং কিয়ামতের দিন আরশে আল্লাহর পাশে রাসূল সাঃ বসবেন! (নাউযুবিল্লাহ) এদের আরো ভ্রান্ত আকিদাহ হলো, আল্লাহ তায়ালার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আছে! এরা বিশ্বাস করে আল্লাহর ছায়া আছে! আল্লাহ দৌড়ান! (নাউযুবিল্লাহ)

মাযহাবের ইমামদের শরিয়াহ সিদ্ধান্ত কুরআন ও হাদীসেরই অংশ ও ব্যাখ্যা। অথচ,এই আহলে হাদীসরা কুরআন-হাদীসের ব‍্যাখ‍্যা তথা মাযহাবের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে!

গত ২২ ডিসেম্বর ২০১৫, ঐতিহ্যবাহী জামেয়া ক্বাসিমুল উলুম দরগাহে হজরত শাহজালাল রহঃ, সিলেট বাংলাদেশ এর উদ্যোগে,মাযহাব বিষয়ক তাহাফ্ফুজে সুন্নাহ কনফারেন্স,মাযহাব ও আহলে হাদীসদের ভ্রান্ত আকিদাহ বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন,মুফতী ইজহারুল ইসলাম আল-কাউসারী সাহেব।

 

“এক হাতে মুসাফাহ করা” সম্পর্কে হানাফী আলেম ও গায়রে মুকাল্লিদ ভাইয়ের মজাদার কথোপকথন

পাকিস্তানের বিখ্যাত আলেম শায়খ মুহাম্মদ ইসমাইল মুহাম্মাদী সাহেব দা,বা এর তিন খন্ডের একটি উর্দূ কিতাব "তোহফায়ে আহলে হাদীস"। এ কিতাবে মূলত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শায়খের সাথে গায়রে মুকাল্লিদ ভাইদের  কথোপকথন  একত্রিত করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ কিতাবটির ১ম খন্ড বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। অনুবাদ করেছেন মুফতি অকিল উদ্দিন যশরী। আমাদের আজকের আলোচিত বিষয় "এক হাতে মুসাফাহ করা"।

হানাফী: আসসালামু আলাইকুম! জনাব কেমন আছেন?

গায়রে মুকাল্লিদ: ওয়ালাইকুমুস সালাম! জ্বী ভাল আছি! আজ হঠাৎ কি মনে করে?

হানাফী: আপনাকে এখানে কয়েকবার নামায আদায় করতে দেখেছি, ভেবেছিলাম আপনার সাথে কিছু সময় বসে কিছু কথা জিজ্ঞাসা করব। আজ মন চাইল তাই বসে গেলাম।

গায়রে মুকাল্লিদ: খুব ভাল! যেহেতু মন চেয়েছে, বসেছেন, তবে মন খুলে প্রশ্ন করতে পারেন। ৪সহীহ হাদীসের আলোকে নামাযে আস্তে আমীন বলা।

হানাফী: জ্বী জনাব আপনাকে পূর্ব থেকেই খেয়াল করছি, আপনি যখন নামায পড়েন, তখন মাথা থেকে টুপি খুলে নিচে নিক্ষেপ করেন, ডান হাত বাম কনুইয়ের উপর বাঁধেন এবং গরদান বাকা করে পাকে খুব চওড়া করে দাড়ান। এগুলো আমার বুঝে আসেনা। সংক্ষেপে বর্ণনা দিন।

গায়রে মুকাল্লিদ: অবশ্যই ব্যাখ্যা দিব- আমরা এ জন্যই করে থাকি যেন মানুষ আমাদের থেকে প্রশ্ন করে। আর আমরা মানুষদের ফিক্হ (ইসলামী আইন) থেকে দুরে সরিয়ে কুরআন ও হাদীসে লাগাতে পারি।

হানাফী: ভাইয়া খুব ভাল! এই মাসআলাগুলি আলোচনা ও যাচাইয়ের পূর্বে যে এক হাত দ্বারা মুসাফাহা করেন তার ব্যাখ্যা করুন।

গায়রে মুকাল্লিদ: হ্যাঁ, অবশ্যই! মূল আলোচনার পূর্বে আমার কথা কান খুলে শুনুন যে, আমরা কুরআন ও হাদীস ব্যতিত ফেকাহ ঠেকাহ মানিনা। আমাদের যে মাসআলাই হোক আমরা ডিরেক্টলি কুরআন ও হাদীস থেকে গ্রহণ করি। কোন সাহাবী বা ইমামের কথা হয়, তবে তাকে আরামসে ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করি। আর আমরা কোন ইমামের তাকলীদ করিনা।

Read More

নামাযে রফয়ে ইয়াদায়নের ব্যাপারে আল্লামা আলবানী একাডেমী কর্তৃক প্রকাশিত বুখারী শরীফের টীকায় তথ্য বিকৃতি, জালিয়াতি ।

       দলিল সহ নামাযের মাসায়েল (বর্ধিত সংস্করণ) কিতাব থেকে সংকলিত

আল্লামা আলবানী একাডেমী কর্তৃক প্রকাশিত বুখারী শরীফের টীকায় আহসানুল্লাহ বিন সানাউল্লাহ এ মাসআলায় প্রায় আঠার পৃষ্ঠা কলমবন্দ করেছেন। তথ্য বিকৃতি, জালিয়াতি, সাহাবী-তাবিঈ ও অন্যান্য মনীষীগণের নাম ও কিতাবের নামের বিকৃতিতে ভরা এই আঠার পৃষ্ঠা। নমুনা হিসাবে এখানে কিছু তুলে ধরা হলো।

১. রফয়ে ইয়াদায়নের পক্ষের হাদীসগুলো উল্লেখ করতে গিয়ে ১ নম্বরে ইবনে উমর রা. বর্ণিত ও বুখারী-মুসলিমসহ বহু হাদীসগ্রন্থে উদ্ধৃত হাদীসদুটি তুলে ধরার পর ২ নম্বরে লেখক বলেছেন, উপরোক্ত হাদীসটি বায়হাকীতে বর্ধিতভাবে বর্ণিত আছে যে, আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ স. মহান আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ লাভ অর্থাৎ মৃত্যু পর্যন্ত সর্বদাই উক্ত নিয়মেই সলাত আদায় করতেন (অর্থাৎ তিনি আজীবন উক্ত তিন সময়ে রফউল ইয়াদাইন করতেন।) (বায়হাকী, হিদায়াহ দিরায়াহ, ১/১১৪, ইমাম বুখারীর উস্তাদ আলী ইবনুল মাদীনী রহ. বলেন, এ হাদীস আমার নিকট সব উম্মাতের উপর হুজ্জাত বা দলীলস্বরূপ। (পৃ. ৫১৬)
এখানে এই জালিয়াতি করা হয়েছে যে, আলী ইবনুল মাদীনীর মন্তব্যটি প্রথম হাদীসটি সম্পর্কে। অথচ তিনি এটি দ্বিতীয় হাদীসটির সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন। এতে করে পাঠক মনে করবেন, এ হাদীসটিও সহীহ। অথচ এটি একটি জাল হাদীস। পেছনে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

২. রফউল ইয়াদায়ন সম্পর্কে হানাফী মাযহাবের শ্রেষ্ঠ আলেমগণের অভিমত শিরোনামে ১ নম্বরে তিনি লিখেছেন, মোল্লা আলী ক্বারী হানাফী (রহ.) বলেন, সলাতে রুকু’তে যাওয়ার সময় ও রুকু’ থেকে উঠার সময় দু’হাত না তোলা সম্পর্কে যেসব হাদীস রয়েছে সেগুলো সবই বাতিল। তন্মধ্যে একটিও সহীহ নয়। (মাওযু’আতে কাবীর, পৃ. ১১০)
এখানে এই জালিয়াতি করা হয়েছে যে, একথাগুলো আসলে মোল্লা আলী কারীর নয়। বরং হাফেয ইবনুল কায়্যিমের, মোল্লা আলী কারী তা উল্লেখ করার পর খ-ন করেছেন। মনে হচ্ছে, এই লেখক কারী সাহেবের কিতাবটি দেখেন নি, অন্য কারো পুস্তক থেকে নকল করে দিয়েছেন।

Read More

হাদীসের বর্ণনা অনুযায়ি নামাযে রফয়ে ইয়াদাইন কত জায়গায় ছিল? কিন্তু গায়রে মুকাল্লিদ/আহলে হাদীস ভায়েরা কত জায়গায় করেন ?

         দলিল সহ নামাযের মাসায়েল (বর্ধিত সংস্করণ) কিতাব থেকে সংকলিত

সহীহ হাদীসসমূহে দেখা যায়, রফয়ে ইয়াদাইন একবার থেকে শুরু করে প্রত্যেক ওঠানামায় ছিল। খোদ হযরত ইবনে উমর রা. এর হাদীসে এক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন বিবরণ উদ্ধৃত হয়েছে। নিম্নে সংক্ষেপে তা তুলে ধরা হলো।

(১). শুধু এক জায়গায় অর্থাৎ নামাযের শুরুতে।                                                                          যেমনটি তিরমিযি,আবু দাউদ সহ বিভিন্ন কিতাবে ইবনে মাসউদ রাযিঃ থেকে বর্ণিত আছে।

(২). দুই জায়গায়, অর্থাৎ শুরুতে এবং রুকু থেকে ওঠার পর।                                                          হযরত ইবনে উমর রা. থেকে ইমাম মালেক র. মুয়াত্তায় এটি উদ্ধৃত করেছেন। আবূ দাউদ হযরত ইবনে উমর রা. থেকে (৭৪২), ইবনে মাজা র. হযরত আনাস রা. থেকে (৮৬৬)।

(৩). তিন জায়গায়, অর্থাৎ নামাযের শুরুতে এবং রুকুর পূর্বে ও পরে।                                            হযরত ইবনে উমর রা. থেকে বুখারী ও মুসলিমসহ অনেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।

(৪). চার জায়গায়, অর্থাৎ উপরোক্ত তিন জায়গায় এবং দুরাকাত শেষ করে দাঁড়ানোর সময়।             ইবনে উমর রা. থেকে বুখারী (৭৩৯), আবূ দাউদ(৭৪৩)। আবূ হুমায়দ রা. থেকে ইবনে মাজা (৮৬২) ও তিরমিযী (৩০৪), তিনি এটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। হযরত আলী রা. থেকে আবূ দাউদ (৭৪৪), ইবনে মাজাহ (৮৬৪), ও তিরমিযী (৩৪২৩)। তিনি এটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। হযরত আবূ হুরায়রা রা. থেকে আবূ দাউদ(৭৩৮)।

Read More

নামাযে পা ফাঁকা করে দাড়ানোর বিধান কি? – Sheikh Golamur Rohman

মুক্তাদি ক্বিরাত পড়বে না – শায়খ গোলামুর রহমান দা,বা।

রাফুল ইয়াদাইনের ক্ষেত্রে ফিকহে হানাফীর ভিত্তি – মুফতি গোলামুর রহমান সাহেব দা,বা।

রাফুল ইয়াদাইনের ক্ষেত্রে ফিকহে হানাফীর ভিত্তি ( Trailer ) – মুফতি গোলামুর রহমান সাহেব দা,বা।

মুক্তাদি সূরা ফাতিহা পড়বে না (Trailer) – শায়খ গোলামুর রহমান

Page 1 of 3

Designed By ijharul islam & Copyright iDEA