iDEA

islamic dawah and education academy

Category: Uncategorized (Page 1 of 2)

কবরের জীবন, রুহ ও অন্যান্য

আহলে সুন্নতের আকিদা হল, নবীজী স: কবরে জীবিত। নবীগণ তাদের কবরে জীবিত এবং তারা নামায আদায় করে থাকেন। শুধু নবীগণই নন, শহীদরাও কবরে জীবিত। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা শহীদদেরকে মৃত বলতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, তারা জীবিত। তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রিজিক পেয়ে থাকে। নবীগণের মর্যাদা শহীদদের চেয়েও বেশি। তাছাড়া নবীদের কবরে জীবিত থাকা এবং নামায আদায়ের বিষয়ে স্পষ্ট হাদীস রয়েছে।

যারা কবরে নবীগণকে মৃত মনে করে, তাদের আকিদা কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী।এরা আহলেসুন্নতের আকিদারও বিরোধী। এধরণের আকিদা পোষণকারী ব্যক্তি নিজেকে আহলে সুন্নতের পরিচয় দিলেও সে আহলে সুন্নত নয়। বরং কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী বাতিল আকিদা পোষণকারী।

একটা সাধারণ বিষয় বুঝতে হবে। নবীগণের দুনিয়াবী হায়াত শেষ হয়ে গেছে। দুনিয়াবী দৃষ্টিকোণ থেকে তারা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। দুনিয়ার হায়াত শেষ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। আর এই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তারা কবরের জীবনে প্রবেশ করেছেন। তারা কবরের জীবনে মৃত নয়। কবরের জীবনে তারা জীবিত আছেন। আমরা নাস্তিকদের মত শুধু দুনিয়ার জীবনকেই মূল জীবন মনে করি না। আমরা বিশ্বাস করি, রুহের জগত যেমন সত্য, দুনিয়ার জগৎ সত্য, কবর ও হাশরের জীবন সত্য।

পাশ্চাত্যের বস্তবাদী প্রভাব, ওহাবী-সালাফীদের অজ্ঞতাপূর্ণ অপপ্রচারে আহলে সুন্নতের সঠিক আকিদা কখনও পাল্টে যাবে না। নবীগণ কবরে জীবিত এটাই আহলে সুন্নতের সর্বসম্মত সঠিক আকিদা।

Read More

তাল নয় তিল

জীবনে পরিমিতিবোধ অর্জন করতে বহু কাঠ-খড় পোড়াতে হয়। সোহবত, দোয়া ও তলব থাকতে হয়। এরপরই আল্লাহ তায়ালা দ্বীনের সঠিক বুঝ দান করেন। সেই বুঝই মুমিনের জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যাকে পরিভাষায় বলে তাফাক্কুহ ফিদদীন। এটা না থাকলে অন্য সবকিছুই ঝুঁকির মধ্যে থাকে। যোগ্যতা মাপকাঠি নয়। যোগ্যতা ধারণ করার মতো বুঝ থাকাটাই আসল।

তাফাক্কুহ যদি না থাকে, সমূহ সম্ভাবনা আছে আপনি তিলকে তাল বানাবেন। অপ্রয়োজনীয় বিষয়ে জীবন ব্যয় করবেন। অথচ এগুলো থেকে মুক্ত থাকতে পারলে আমার জীবন হয়ত ভিন্ন মাত্রা পেত। নীচে আমরা এরকম কিছু বিষয় তুলে ধরার চেষ্টা করছি। যেগুলোকে আমরা তাল মনে করে জীবনের মূল্যবান সময় ব্যয় করতে পারি। কিন্তু বাস্তবে সেগুলো আমার জীবনে এতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

Read More

উন্নত মম শির

১। আমরা সবাই চাই সমাজের শিক্ষিত, উচ্চবিত্ত ও প্রভাবশালী লোকগুলো দ্বীনদার হয়ে যাক। তাদের মাধ্যমে ইসলামের কল্যাণেরও সম্ভাবনা থাকে। 
এজন্য সমাজের এলিট শ্রেণির কাছে দাওয়াতের ব্যাপারে আমাদের বেশ আগ্রহ থাকে।

তাদেরকে দাওয়াত দেয়া ও দ্বীনের পথে আনার চেষ্টা অবশ্যই দ্বীনের একটি মহান খেদমত। কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদের নিজস্ব সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু বিপত্তি ঘটে। বিপত্তিগুলো কোথাও লঘু। কোথাও ঘোরতর। ধরুন, তাদেরকে কাছে টানার জন্য একটু উদার হলাম। দ্বীনের কিছু বিধি-বিধানে একটু শিথিল হলাম। যেমন,

Read More

নারী ও নারী দিবস

নারীবাদের ব্যাপক চর্চা সত্ত্বেও একটা সত্য আমাদের স্বীকার করতে হবে। সত্যটা আমাদের সমাজের একেবারে মূলে প্রোথিত। সহজেই এর মূলোৎপাটন সম্ভব নয়। আর সে আশাও সুদূর পরাহত মনে হয়।

তিক্ত হলেও সত্য, তথাকথিত নারীবাদ পুরুষদেরকে একটুও নাড়া দেয়নি। দিলেও খুব সামান্য। দৃষ্টিগ্রাহ্য হওয়ার মত না। নারীরা ঠিকই নারীবাদের দিকে ঝুঁকছে। কিন্তু বিপরীত মেরুর পুরুষদের সাথে এই নারীবাদের কোন বোঝাপড়া নেই। পুরুষরা সেই আগের মতই আছে।

এর পেছনে পুরুষদের স্বার্থপর মানসিকতা দায়ী নাকি নারীবাদের শ্লোগানটাই আমাদের প্রকৃতি বিরুদ্ধ, সেই বিতর্কে এখন যেতে চাচ্ছি না। সমস্যা আসলে দু’দিকেই। সহযোগিতার চেয়ে প্রতিযোগিতার মানসিকতা এখানে মুখ্য। মূল সমস্যা এখানেই।

Read More

আকাবির মান্যতা

সর্বপ্রথম আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়, আকাবিরগণ কি মা’সুম (ভুলের উর্ধ্বে) ছিলেন? এর উত্তর হল, অবশ্যই না। অমুক আকাবির এই এই বিষয়ে ভুল করেছেন।অমুক আরও বেশি কিছু বিষয়ে ভুল করেছেন। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল সেই অমুক আকাবির আসলেই ভুল করেছেন। তাহলে প্রমাণিত হয়ে গেল, আকাবিররা মা’সুম না। তাদের ভুল হয় বা হয়েছে।

আকাবির যেহেতু ভুলের উর্ধ্বে না, তাহল আমাদের কী করণীয়?

আকাবিরদের যেহেতু ভুলের সম্ভাবনা আছে, এজন্য আকিবিরদের কথা আমরা কুরআন-সুন্নাহর দলিলের আলোকে মানব। কুরআন-সুন্নাহর দলিলের আলোকে যদি আকাবিরদের কথা ঠিক হয়, তাহলে মানব, নতুবা মানব না।

এই পর্যন্ত কথাগুলো যে কারও কাছে একেবারে টাটকা মজবুত মনে হবে।

একটু অপেক্ষা করুন। আমরা কথাগুলো একটু বিশ্নেষণ করতে চাই।

Read More

আদাবুল জিহাদ

ফাজাইলে জিহাদের পাশাপাশি আমাদের মাঝে আাদাবুল জিহাদের প্রয়োজনীয়তাকে সামনে রেখে শিরোনাম নির্বাচন করা হয়েছে। একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করি। আমি তখন কাফিয়া জামাতে পড়ি। জযবাতি কথা তখন খুব আগ্রহ ভরে শুনতাম। সেসম সব দিকে জসিমুদ্দীন রহমানী সাহেবের আলোচনাগুলো বেশ জনপ্রিয়। এগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা হতো। সহপাঠীদের কয়েকজন তার ভক্তও ছিল। তাদের একজনের সাথে মাঝেই মাঝেই বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ হতো। গুরুত্বের সাথে তাদের কথা শুনতাম।

একদিন তাকে বললাম, আগামী শুক্রবার রহমানী সাহেবের ওখানে জুমআ পড়ব। আমি তখন সবেমাত্র ঢাকায় এসেছি। একেবারেই ইয়াং। জুমআর দিন আগে আগে হাতেমবাগ মসজিদে গেলাম। মেম্বারের কাছাকাছি বসার চেষ্টা করলাম।

Read More

একজন আলিমের উপাখ্যান

উম্মত হাজারও সমস্যায় জর্জরিত। সেই সমস্যাগুলো ছড়িয়ে আছে চারদিকে। সমাজে। জীবনে। বিশ্বাসে।বিশ্বাসের প্রতিফলনে।

আলিমরা সেগুলো দেখে। একটু-আধটু সংশোধনের চেষ্টা করে। কিছু সত্য কষ্টের হয়। আমাদের ভাইয়েরা আহত হোন। সেটা দেখেও ব্যথিত হোন। মু’মিনকে কষ্ট দেয়া যে অন্যায়।

ডাক্তার জানে। রুগীর কষ্ট হবে। ব্যথা পাবে। রক্তক্ষরণ হবে। এরপরও ডাক্তার কাঁচি চালায়। একটা মহৎ উদ্দেশ্যে। যদি জীবনটা বেঁচে যায়।আলিমও ভাবে। যদি ইমানটা বেঁচে যায়। সে জানে। উম্মত কষ্ট পাবে। ব্যথিত হবে। উম্মতের ব্যথায় নিজেও ব্যথিত হয়। ছটফট করে। নির্ঘুম রাত কাটে। এরপরও সে হাল ছাড়ে না।

সে শুধু সিরাত পড়ে না। সিরাতকে আলিঙ্গন করে। নবীজির গভীর রাতের কান্না শুধু বইয়ের পাতায় থাকে না। সে জানে। এই কান্নার উত্তরাধিকারও সে। সংসারে অভাব। সে ভাবে। এটাও আমার মিরাস। মাহবুবে দোজাহান তো এমনই ছিলেন।

গালি আসে। আসে উপহাস ও তাচ্ছিল্য। সে ভাবে। গালি শোনাও মাহবুবে ইলাহীর মিরাস। পেছনে ফিরে যায়। হাজার বছর। মক্কার অলি-গলিতে। তায়েফের তপ্ত রোদে। সে ভাবে। হয়ত কোন একদিন এরাও হেদায়াত পাবে।

মানুষের বয়স বাড়ে। বুড়ো হয়। অবসরে যায়। আরাম-আয়েশ করে। আলিম যেন বুড়ো হয় না। তার বয়স বাড়ে। দায়িত্ব বাড়ে। উম্মতের ব্যথাও বাড়ে। আওয়াজ ক্ষীণ হয়। হাড়গুলো খটখট করে। এরপরও তার বিরাম নেই। বিশ্রাম নেই। পথচলা থেমে নেই। কখনও হুইল চেয়ারে। কখনও কাঁধে ভর করে। শেষ শক্তিটুকু উম্মতকে দিতে চান। ভাবেন, মুহাম্মাদে আরাবীর পূর্ণ অনুকরণ কী হল?

বুড়োদেরকে কেউ ভয় করে না। সবার কাছে অপাংক্তেয়। বুড়ো সিংহকে শিয়ালও ধাওয়া করে। বুড়ো আলিম সিংহকে ছাড়িয়ে যায়। তার আধিপত্যে শত্রুর বুকে কাঁপন ধরে। শয়তানী রাজ্য থরথর করে। কাপুরুষেরা এগিয়ে আসে। চোরের মত। কখনও ছুরি চালায়। কখনও গুলি। বুড়ো সিংহের শেষ রক্তটুকুও বৃথা যায় না। উম্মতের শিরায় শিরায় ছড়িয়ে পড়ে। চেয়ে 
দ্যাখ কাপুরুষের দল। শেষ রক্তফোঁটা উম্মতের শিরায় কীভাবে টগবগ করছে।

সিফাতে খাবারিয়্যা সম্পর্কে সালাফের অবস্থান

ইজহারুল ইসলাম

প্রশ্ন: সিফাতে খাবারিয়্যার ক্ষেত্রে সালাফের মাজহাব কী ছিল?

উত্তর:

সালাফদের ঐকমত্যপূর্ণ মাজহাব ছিল তানজীহ। সকলেই আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টির বৈশিষ্ট্য থেকে মুক্ত বিশ্বাস করতেন। এ বিষয়ে কেউ দ্বিমত করতেন না। সুতরাং সালাফের সমস্ত বক্তব্য সামনে রাখলে সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, সকলের ঐকমত্যপূর্ণ মাজহাব ছিল তানজীহ।

যেমন নুজুল বা অবতরণ। আল্লাহর নুজুল যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমন নয়, এব্যাপারে সকলেই একমত। একইভাবে আল্লাহর নুজুল উপর থেকে নীচে নামান নয়।

সালাফদের কেউ কেউ ইয়াদকে (হাত) সিফাত বলেছেন। কিন্তু তাদের সকলেই এ বিষয়ে একমত ছিলেন, ইয়াদ কোন অঙ্গ বা দেহের কোন অংশ নয়।

মোটকথা, তানজীহ (সৃষ্টির সাদৃশ্য থেকে আল্লাহ তায়ালাকে মুক্ত বিশ্বাস করা) হল সালাফের ঐকমত্যপূর্ণ মাজহাব।

Read More

তাকফির ও শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল অহহাব নজদি

১। অনেকের মত আমিও বিশ্বাস করতাম শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল অহহাব নজদি একজন সংস্কারক ছিলেন। এখনও অনেক কওমি আলেম এই বিশ্বাস রাখেন। দেওবন্দি আলেমদের মধ্যে তার পক্ষে বিপক্ষে দু’ধরণের বক্তব্য আছে। মাওলানা মনজুর নুমানি রহঃ তার বিপক্ষের বক্তব্যগুলোর কিছু কিছু জওয়াব দিয়েছেন।

কারও ব্যাপারে যখন ভালো মন্দ দু ধরণের মতামত থাকে, তখন আমি কারও বক্তব্যকেই মূল হিসেবে বিবেচনা করি না । যারা প্রশংসা করেছেন, তাদের কথা চোখ বুজে মেনে নেইনি। আবার যারা বিরোধিতা করেছেন, তাদের কথাগুলোও মাথা পেতে মেনে নেইনি।

 

আমি শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল অহহাব নজদির নিজের লেখা কিতাবগুলো দেখা শুরু করি। তার লেখা কিতাব পড়তে গিয়ে বারবার হোঁচট খেতে থাকি। তার তাকফিরি চিন্তা-চেতনা দেখে যার পর নাই অবাক হতে থাকি।

এরপর আমি হুসাইন ইবন গান্নামের روضة الأفكار والأفهام لمرتاد حال الإمام وتعداد غزوات ذوي الإسلام কিতাবটি পড়া শুরু করি। কিতাবটি তারিখে নজদ নামে পরিচিত। কিতাবের নাম থেকেই আপনি বুঝতে পারছেন, ভেতরে কী আছে। এই কিতাবে এসে আমি শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল অহহাব নজদি এর তাকফিরি চিন্তা-চেতনাগুলোর বাস্তব প্রয়োগ দেখতে পাই। তিনি বিভিন্ন অঞ্চলের মুসলমানদেরকে কাফের বলে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। মুসলমানদের রক্ত ও সম্পদ হালাল করেছেন তাকফির করে। মুসলমানদের সম্পদকে গনিমত বানিয়েছেন তাদেরকে মুশরিক ফাতাওয়া দিয়ে। এই কিতাবে এর বিস্তারিত ইতিহাস পাবেন। কিতাবের লিঙ্ক আমি কমেন্টে দিয়ে দিব।

আস্তে আস্তে বিষয়গুলো দিনের আলোর মত স্পষ্ট হতে থাকে। পরবর্তিতে আমার জন্য শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল অহহাব নজদিকে একজন দ্বীনের সংস্কারক বিশ্বাস করা কঠিন হয়ে যায়। শাইখের নিজের কিতাবে যেই তাকফিরি চিন্তা-চেতনা দেখেছি, সেটাকে বাদ দিয়ে শুধু অন্যদের প্রশংসাবাণীর উপর নির্ভর করাটা বেশ কঠিন।

বিষয়টা যদি শুধু মৌখিক ফতওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত, তাহলে এর একটা ব্যাখ্যা দাড় করান যেত। তিনি ওই ফাতওয়াগুলোর উপর আমল করে যুদ্ধ করেছেন, মুসলমানদেরকে রক্ত ও সম্পদ হালাল করেছেন, এই জন্য তার ফাতওয়াগুলোর তাবিল করা সম্ভব হয়নি। ফলে আমি শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল অহহাব নজদির ব্যাপারে আমার বিশ্বাস ও অবস্থান পরিবর্তন করি। সব শেষে আমি তার ব্যাপারে সিদ্ধান্তে উপনীত হই,

১। তিনি একজন তাকফিরি ছিলেন।
২। তিনি শুধু মুখে তাকফিরি ফাতওয়া দিয়ে ক্ষান্ত হননি, মুসলমানদের রক্তপাতের মাধ্যমে সেগুলো বাস্তবায়ন করেছেন।

শাইখের বিষয়ে এখনও আমি এই বিশ্বাস রাখি। এর বিপরীতে যদি যথেষ্ট দলিল পাই, তাহলে ভিন্ন বিষয় বিবেচনা করব ইনশা আল্লাহ।

২। শাইখ শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুল অহহাব নজদির ইতিহাস পড়তে গিয়ে সৌদি রাজ বংশের কালো অধ্যায় সামনে আসে। তাদের রক্তপাত ও খুন-খারাবির নোংরা ইতিহাস পড়ে তাদের প্রতি কোন ধরণের ভক্তি অবশিষ্ট নেই। এদেরকে আমি কখনও ইসলামের খাদেম বিশ্বাস করতে পারিনি।

যারা বিষয়গুলো নিয়ে ভাবেন, এদের ইতিহাস পড়ে দেখার অনুরোধ রইল।

তাকফীর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা

আমি বিভিন্ন সময়ে আকিদার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লিখে থাকি। অালোচনায় অনেক ক্ষেত্রেই স্পষ্ট বলে থাকি যে, এটি তাউহীদ, এটি শিরক। এটি ইমান এবং এ বিষয়টি কুফুরী। যেমন গতকালের পোস্টে দু’টি আকিদা সম্পর্কে লিখেছিলাম, এ দু’টি বিশ্বাস জঘন্য শিরকী আকিদা।

১. আল্লাহ তায়ালা আরশে বসে আছেন।
২. আল্লাহ তায়ালা রাসূল স.কে আরশে তার সাথে বসাবেন।

আমি এখনও বলছি, বিষয় দু’টো অত্যন্ত গর্হিত শিরকী আকিদা। এখন প্রশ্ন হলো, পূর্ববর্তী কিছু আলেমের কিতাবে এই ধরণের আকিদা বিশ্বাস রয়েছে। যেমন ইবনে তাইমিয়া রহ. ও ইবনুল কাইয়্যিম রহ. এর কিতাবে। তাদেরও আগে আরও কিছু আলেমের কিতাবে এগুলো আছে। খাল্লালের আস-সুন্নাহ কিতাবে, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদের নামে প্রসিদ্ধ আস-সুন্নাহ কিতাবে এগুলো রয়েছে। বরং কারও কারও কিতাবে এর চেয়েও জঘন্য আকিদা রয়েছে। যেমন ইবনে খোজাইমা রহ. এর কিতাবুত তাউহীদে খুবই জঘন্য কিছু আকিদা আছে। আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদের আস-সুন্নাহ কিতাবের কথা তো বলার প্রয়োজন নেই। অনেক আকিদা মুখে আনাও সম্ভব নয়। ইবনে তাইমিয়া রহ ও তার ছাত্র ইবনুল কাইয়্যিম রহ. এর কিতাবেও এর চেয়ে জঘন্য আকিদা বিশ্বাস রয়েছে। উসমান ইবনে সাইদ আদ-দারিমির কিতাবে মারাত্মক আকিদা বিশ্বাস রয়েছে। এধরণের আরও অনেক কিতাব রয়েছে যেগুলোতে বিভিন্ন ধরণের শিরকী আকিদা রয়েছে।

মূল বিষয় হলো, যাদের কিতাবে এজাতীয় শিরকী বিষয় রয়ে গেছে, তাদের সম্পর্কে আমাদের ধারণা কী হওয়া উচিত? তাদেরকে কি আমরা মুশরিক মনে করবো? কুফুরী বিষয়ের কারণে তাদেরকে কাফের বলে দিবো?

Read More

Page 1 of 2

Designed By ijharul islam & Copyright iDEA